May 7, 2014

কিশোর ভারতী!!!

আজকে যে পত্রিকাটি দিতে চলেছি সেটি কিশোর ভারতী। কিশোর ভারতী পত্রিকাটির শুরু পুজা সংখ্যা  দিয়ে ১৯৬৮ সালে। তারপর থেকে মাসিক সংখ্যা হিসাবে বার হতে থাকে পত্রিকাটি। এটি ছিল পত্রিকাটির ২য় বর্ষ, আর সংখ্যা ছিল সপ্তম।  প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭০ সালের এপ্রিল মাসে।

তখনও পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলার প্রথম প্রকাশ ঘটেনি। মাসিক বা পাক্ষিক কোনও আনন্দমেলাই ছিল না। ছোটদের পত্রিকা হিসাবে শুকতারাই যে প্রধান ভূমিকায় ছিল সে সময় তাতে সন্দেহ নেই। আর ছিল পূজার সময় দেব সাহিত্য কুটীরের পূজাবার্ষিকী।  এইরকম সময় পূজা সংখ্যা নিয়ে কিশোর ভারতীর আত্মপ্রকাশ এবং তারপর মাসিক সংখ্যা হিসাবে প্রকাশিত হতে থাকা তখনকার শুধু কিশোর নয় সব শ্রেণির পাঠকের কাছেই গ্রহণীয় হয়ে উঠেছিল বলেই মনে হয় ।

সম্পাদক দীনেশ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন সু-সাহিত্যক, তাঁর কলমে অসাধারণ ভালো কিছু লেখা পাওয়া গেছে, নাম তাঁর ভাবা, নীল ঘূর্ণি, দুরন্ত ঈগল... আরও বেশ কিছু।
সম্পাদক ছাড়াও সে আমলের প্রায় সমস্ত প্রথিতযশা সাহিত্যিকের উপস্থিতিতে সেজে উঠেছিল কিশোর ভারতী। শুধু গল্প উপন্যাসই নয় ছিল বিজ্ঞান, ধাঁধা, খেলাধুলা আর নিশ্চিত ভাবেই ছিল কমিকস।

নারায়ণ দেবনাথের কাছে জানতে পেরেছিলাম কিভাবে উনি কিশোর ভারতীতে শুরু করেছিলেন ব্ল্যাক ডায়মন্ডের কমিকস । আজকে এই সংখ্যাটি দেবার কারণ ব্ল্যাক ডায়মন্ডের যে সুবৃহৎ কমিকসটি  বেশ

জনপ্রিয় হয়েছিল 'রহস্যময় সেই বাড়িটা'-র ধারাবাহিক প্রকাশ শুরু হয়েছিল এই সংখ্যা থেকেই। এর সাথে ছিল শৈল চক্রবর্তীর আঁকা কমিকস ডমরু-চরিত।  এই দুটি কমিকসই বই আকারে পাওয়া যায়।
'রহস্যময় সেই বাড়িটা' ব্ল্যাক ডায়মন্ড সমগ্রতেও রয়েছে রঙিন হয়ে।  অবশ্য রঙিন হওয়ার ফলে ওটা আরও আকর্ষণীয় হয়েছে কিনা সেটা অন্য প্রসঙ্গ।

এই পত্রিকার প্রসঙ্গে জানাই এতে গল্প কবিতা ছাড়াও আছে একটি অনুবাদ গল্প, আরনেস্ট হেমিংওয়ের  বিখ্যাত লেখা ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দা সি-র বাংলা অনুবাদ। আছে ধারাবাহিক লেখা। খেলাধুলা নিয়ে লিখেছিলেন তখনকার যুগান্তরের ক্রীড়া সাংবাদিক শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সেই সময় শুকতারাতেও খেলার পাতায় লিখতেন।

কিশোর ভারতী পত্রিকার শুরু থেকে ছবি আঁকার কাজে সূর্য রায় যুক্ত ছিলেন। বেশির ভাগ ছবি তিনিই আঁকতেন। কমিকসও করেছিলেন এই পত্রিকাতে।

সূচীপত্রে কমিকস শিল্পী আর প্রচ্ছদ-শিল্পী ছাড়া অন্য কোনও শিল্পীর নাম দেখা গেল না। তবে সূর্য রায় ছাড়া আর যাঁরা ছবি এঁকেছিলেন তাঁর মধ্যে ময়ূখ চৌধুরী রয়েছেন। আর প্রচ্ছদ শিল্পী অবশ্যই সূর্য রায়।

আপনাদের ভালো  লাগলে এই সংখ্যাটির আগের এবং পরের আরও কিছু কিশোর ভারতী দেবার ইচ্ছা রইল। 

কিশোর ভারতী, চৈত্র ১৩৭৬


Apr 22, 2014

প্রথম ইন্দ্রজাল কমিকসের শিল্পী!!!


আজকে যে কমিকসটি দিতে চলেছি তার শিল্পী Sy Barry। গত মার্চ মাসে তাঁর ৮৬ তম জন্মদিন গেল। দীর্ঘ সময় প্রায় ৯০দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ৩৩ বছর ধরে অসাধারণ সব কমিকস স্ট্রিপ এঁকেছিলেন তিনি। 

বেতাল কমিকসের প্রথম শিল্পীর নাম কারও অজানা নেই।  কিন্তু প্রথম প্রকাশিত ইন্দ্রজাল কমিকস The Phantom's Belt-র শিল্পী হিসাবে আমরা সেই Ray Moore-কে পাইনা।  বরং প্রথম বাংলায় প্রকাশিত ইন্দ্রজাল কমিকসের শিল্পী Ray Moore

প্রথম যে শিল্পীর আঁকা কমিকস দিয়ে ইন্দ্রজালের শুরু সেই Wilson McCoy কে বাংলায় পেলাম কোন কমিকসে? যদিও লালজাদুকরীর রহস্যের শিল্পী হিসাবে McCoy-র নামও পাই Ray Moore-র সঙ্গে। কিন্তু ওনার  আঁকা সম্পূর্ণ কমিকস কোনটি প্রথম বাংলায় প্রকাশিত হয়?

সেটা মনে হয় মার্শাল বোনেদের ষড়যন্ত্র।   ড্রয়িং স্টাইল নিশ্চিত ভাবে Wilson Mc Coy-র ই, যদিও

Apr 15, 2014

অপরাজেয় ইন্দ্রজাল কমিকস!!!










শুভ নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই সকলকে। 
নতুন বছর ১৪২১-এ সকলে ভাল থাকুন।





ইন্দ্রজাল কমিকস প্রকাশের ৫০ বছর হল গত মাসে। প্রকাশ বন্ধ হয়ে গেছে তাও কেটে গেল ২৪টা বছর। তবুও পাঠকের মনে আজও ইন্দ্রজাল কমিকস অপরাজেয়।
ইন্দ্রজাল কমিকসকে আবার নতুন ছাপায় দেখতে পাওয়ার ইচ্ছা মনে হয় সমস্ত ইন্দ্রজাল কমিকস

Feb 28, 2014

নক্ষত্রের নাম ময়ূখ চৌধুরী!!!

বেশ কিছুদিন ধরেই  ময়ূখ চৌধুরী সম্পর্কিত নানা মূল্যবান তথ্য পোস্ট করেছেন হোজো, ইন্দ্র আর ওয়াকার তাঁর আঁকা, লেখা সহ। এ বিষয়ে তাদের  ধন্যবাদ জানাতেই হয়।
অনেক দিন বাদে ব্লগে ফিরে সেই ময়ূখ চৌধুরীকে নিয়েই কিছু লিখব ঠিক করলাম।
এ লেখার ভিত্তি কিছু লেখা আর কিছু শোনা। 

 ১৯২৫শে ময়ূখ চৌধুরীর জন্ম। আদি বাসিন্দা ঢাকা জেলার। বাবা সরকারি চাকরী করতেন, মা ছিলেন শিক্ষিকা।